কলকাতা: দোর গোড়ায় পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন। এবার প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পালা। কোন বিধানসভা এলাকায় কে প্রার্থী হবেন তা নিয়ে বৃহস্পতিবার বৈঠক করবে বিজেপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি। দিল্লিতে হবে এই বৈঠক। ৬০টি সিটের জন্য প্রার্থী তালিকা নিয়ে এদিন সিদ্ধান্ত হবে।
এ বছর নির্বাচনে সরাসরি লড়াই হবে তৃণমূল ও বিজেপিতে। ২৭ মার্চ থেকে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত আট দফায় হবে নির্বাচন। ভোট গণনার দিন ধার্য হয়েছে ২ মে। পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছেন, রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব প্রতি সিট পিছু চার থেকে পাঁচ জনের নাম স্থির করেছে। প্রথম দুটি দফায় যে যে কেন্দ্রগুলিতে নির্বাচন হবে তার জন্যই প্রার্থী তালিকার খসড়া প্রস্তুত হয়েছে। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির বৈঠকের পরই প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত হবে। তিনি বলেছেন, “আমাদের কাছে প্রথম ২ দফার নির্বাচনের জন্য ১২০ থেকে ১৪০ জনের নাম এসেছিল। এছাড়াও শতাধিক নাম উঠে আসছিল। তাদের মধ্যে থেকে আমরা ২০ থেকে ২৫ জনের নাম বেছে নিয়েছি। প্রতি সিটে ৪ থেকে ৫ জনের নাম শর্ট লিস্ট করেছি। বাকিটা দলের শীর্ষ নেতৃত্ব সিদ্ধান্ত নেবে।”
এদিনের বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতীন গড়করি, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা, বিজেপি নেতা বি এস সন্তোষ ও দলের অন্যান্যা শীর্ষ স্থানীয় নেতারা। বিজেপির তরফে জানা গিয়েছে এই কোর কমিটির বৈঠকে দলের একাধিক নতুন ও যুব কর্মীদের নাম রয়েছে। তৃণমূল থেকে দল বদল হয়ে আসা ১৯ জনকে বিজেপি এ বছর টিকিট দিতে চাইছে। তাঁদের মধ্য়ে রয়েছেন শুভেন্জু অধিকারী ও রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁরা তাঁদের পুরনো কেন্দ্র থেকেই লড়তে পারেন। দিলীপ ঘোষের খড়গপুর সর্দার কেন্দ্র থেকে লড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রসঙ্গত, এই সিটটি ২০১৬ সালে জিতেছিলেন দিলীপ ঘোষ। কিন্তু ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের পর তিনি ইস্তফা দেন। তখন উপনির্বাচনে তৃণমূলের কাছে এই কেন্দ্র হেরে যায় বিজেপি।
লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'!
'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।
কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.