এবার বাম ছাত্র-যুবদের মুখে 'খেলা হবে' স্লোগান! নবান্ন অভিযান নিয়ে চ্যালেঞ্জ

এবার খেলা হবে স্লোগান বাম ছাত্র যুবদের (left student and youth) মধ্যে। ১১ ফেব্রুয়ারি তাদের নবান্ন (nabanna) অভিযান। পুলিশ ডাফরিন রোড পর্যন্ত মিছিলের অনুমতি দিয়েছে। যা নিয়েই সুব চড়িয়েছে বাম ছাত্র যুবরা। তারা স্লোগান তুলেছে খেলা হবে। তবে তাদের এই খেলা হবে স্লোগান মনে করিয়ে দিচ্ছে অতীতে বামেদের নবান্ন অভিযানের কথা।

১০ টি সংগঠনের ডাকে নবান্ন অভিযান

তৃণমূলকে ক্ষমতা থেকে টেনে নামানোর বার্তা দিতে ১১ ফেব্রুয়ারি নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছে ১০ টি বাম ছাত্র ও যুব সংগঠন। পাশাপাশি সংগঠনগুলির তরফে বলা হয়েছে রাজ্যে বিজেপিকে জমি করে দেওযার পাশাপাশি বিজেপিকে লালন পালন করে বাড়িয়ে তোলার কারিগর তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দিতেই পথে নামবেন তাঁরা। কলেজ স্ট্রিট থেকে মিছিল শুরু হবে। রাজ্য জুড়ে এব্যাপারে পথ সভা করেছে সংগঠনগুলি। করা হয়েছে বাইক মিছিলও। তারা বলেছে যাহাই নবান্ন তাহাই ছাপ্পান্ন অর্থাৎ মমতা ও মোদী একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ।

ডাফরিন রোড পর্যন্ত অনুমতি

পুলিশ প্রথমে বাম ছাত্র-যুবদের এই কর্মসূচিতে অনুমতি দিতে চায়নি। পাল্টা হিসেবে তারা জানিয়ে দেয় কর্মসূচি তারা পালন করবেনই। যদি কিছু হয়, তার জন্য দায়ী থাকবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসন। জানা গিয়েছে, এব্যাপারে কথা বলতে মঙ্গলবার লালবাজারে ডেকে পাঠানো হয় বাম যুব সংগঠনের দুই নেতাকে। সেখানে পুলিশের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, মিছিলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে ডাফরিন রোড পর্যন্ত। এর পাল্টা হিসেবে বাম ছাত্র যুবরা জানান, পুলিশ পুলিশের মতো মিছিল আটকাবে। কিন্তু নবান্নে তাঁরা যাবেনই। কেননা নবান্নে যাওয়ার অনেক রাস্তা রয়েছে।

উঠেছে খেলা হবে স্লোগান

এই কর্মসূচিকে সামনে রেখে বাম ছাত্র যুবদের মধ্যেও উঠেছে খেলা হবে স্লোগান। এদিন তাঁরা বলেছেন খেলা হবে। হুঁশিয়ারি দিয়ে তাঁরা বলেছেন, এমন ছকে খেলা হবে যে দিদির পুলিশ বুঝতেই পারবে না, কীভাবে তারা বক্সে ঢুকে পড়েছেন। তবে এই কর্মসূচির মূল স্লোগান হল শিক্ষা দাও, কাজ দাও, হাল ফেরাও, লাল ফেরাও। এই কর্মসূচিকে কংগ্রেস ছাত্র সংগঠন ছাত্র পরিষদ এবং যুব কংগ্রেসকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বামেদের তরফে।

কর্মসূচিতে নবান্নে পৌঁছে গিয়েছিলেন বাম নেতারা

এর আগেও বিভিন্ন সময়ে নবান্ন অভিযান করেছে বাম সংগঠনগুলি। পুলিশ নবান্নের অনেক আগে মিছিল আটকে দিলেও নবান্নের অনেক কাছে পৌঁছে গিয়েছিলেন একাধিক বাম নেতা। সেই অভিজ্ঞতা বাম নেতাদের পাশাপাশি পুলিশেরও রয়েছে। এব্যাপারে কোন কায়দা অবলম্বন করবেন বাম ছাত্রযুবরা তা স্বাভাবিক ভাবেই জানা যায়নি। তবে তা জানতে পুলিশ তাদের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। পুলিশ সতর্ক, যাতে বাম ছাত্র যুবরা কোনও ভাবেই নবান্নের সামনে পৌঁছে যেতে না পারে। কেননা এর আগে চাকরির প্রতীকী দরখাস্ত নিয়ে বাম ছাত্র যুবদের আগেকার নবান্ন অভিযান রক্তাক্ত হয়েছিল। এবার তা কোনও ভাবেই হতে দিতে চায় না প্রশাসন।

কৃষক আন্দোলনকে মোদীকে পাল্টা খোঁচা অধীরের! কংগ্রেসের ওয়াকআউটের পর বহরমপুরের নেতা দাগলেন তোপ

More CPIM News