যাঁদের সরানো হয়েছে
এদিন যাঁদেরকে সরানো হয়েছে তাঁদের মধ্যে রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের অতিরিক্ত সিইও শৈবাল বর্মন এবং অনামিকা মজুমদার এবং ডেপুটি সিইও অমিতজ্যোতি ভট্টাচার্য। এব্যাপারে উল্লেখ্য যে শৈবাল বর্মন দেখতেন মডেল কোড অফ কনডাক্ট, অনামিকা মজুমদার দেখতেন ইভিএম এবং ভোটকর্মীদের প্রশিক্ষণ আর অমিতজ্যোতি ভট্টাচার্য দেখতেন মিডিয়া সেল এবং ভোটের প্রচার সংক্রান্ত কাজ। এই বদলি সংক্রান্ত খবর দিল্লি থেকে সিইও অফিসের পাশাপাশি রাজ্য সরকারকে জানানো হয়েছে বলে সূত্রের খবর। কমিশনের তরফে এই বদলিকে রুটিন বদলি বলেই মন্তব্য করা হয়েছে। এই তিনজনের মধ্যে একজন আইএএস এবং দুজন ডব্লুবিসিএস অফিসার।
নজিরবিহীন ঘটনা
সাম্প্রতিক অতীতে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে এইভাবে কোনও অফিসারকে সরানো হয়নি। তাও আবার একসঙ্গে তিনজন। এই ঘটনাকে নজিরবিহীন বলেই বর্ণনা করেছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।
বিজেপির উসকানি
এই বদলিতে বিজেপির উসকানি রয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। গতমাসে কলকাতায় এসেছিল নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। সেই সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মতো বিজেপিও নানা অভিযোগ নিয়ে কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছিল। সেই সময় বিরোধীদের প্রশ্ন ছিল নির্বাচন কমিশনে যেসব আধিকারিক দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন, তাঁদের কেন বদলি করা হচ্ছে না। সাধারণভাবে তিন বছর কাজের পর বদলির কথা থাকলেও এই তিনজনের ক্ষেত্রে তা করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছিল।
হিংসামুক্ত নির্বাচন করতে চায় নির্বাচন কমিশন
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরার নেতৃত্বে কলকাতায় আসা নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আজিজ আফতাবের সঙ্গে বৈঠক করেন। কমিশন যে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে যথেষ্টই ওয়াকিবহাল, তাও জানিয়ে দিয়েছিল নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। পাশাপাশি দিল্লি থেকে কমিশনের নির্দেশ পালনে যাতে কোনও ঘাটতি না থাকে সেব্যাপারেও সতর্ক করা হয়েছিল বলে সূত্রের খবর। এব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, এবারের নির্বাচন ১০০ শতাংশ হিংসা মুক্ত করতে চায় তারা।