কলকাতা: রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের পাশে দাঁড়িয়ে আবারও রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলকে নিশানা করলেন এরাজ্যে বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাশ বিজয়বর্গীয়। রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে অপসারণের দাবি তুলেছে তৃণমূল।
এব্যাপারে রাষ্ট্রপতির কাছেও আবেদন করা হয়েছে বলে দাবি তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়ের। ধনকড়কে সরানোর দাবি ইস্যুতে তৃণমূলকে তুলোধনা করে বিজয়বর্গীয়ের তোপ, ‘‘প্রতিদিন সংবিধানকে অবমাননা করছে তৃণমূল। সেই কারণেই রাজ্যপালকে ওঁদের পছন্দ হচ্ছে না। রাজ্যপালের কথা ভালো লাগছে না।’’
পশ্চিমবঙ্গে রাজ্যপালের দায়িত্ব নিয়ে আসার পর থেকে নানা ইস্যুতে রাজ্য সরকারের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়েছেন রাজ্যপাল। কখনও রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্রে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ নিয়ে সরব হয়েছেন ধনকড়। কখনও আবার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
করোনা মোকাবিলা নিয়ে রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকায় ক্ষোভ প্রকাশ করে রাজ্যপালের একের পর এক বক্তব্য বিতর্ক তৈরি করেছে। রাজ্যপালকে বিজেপির এজেন্ট বলেও তোপ দেগেছে শাসকদল।
এমনকী খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে জগদীপ ধনকড়ের নামে নালিশ ঠুকেছেন। যদিও সেসবে আমল দেননি রাজ্যপাল। তিনি স্বভাবসিদ্ধ ঢঙেই রাজ্যের সমালোচনায় সরব থেকেছেন।
তবে এবার ধনকড়কে দায়িত্ব থেকে সরানোর চেষ্টায় জোরদার তৎপরতা নিয়েছে তৃণমূল। বুধবার কলকাতায় সাংবাদিক সম্মেলনে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়ের অভিযোগ, রাজ্যপালের ভূমিকা অসাংবিধানিক। তিনি রাজ্য সরকারের সঙ্গে অসহযোগিতা করে চলেছেন।
যদিও ধনকড়ের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিজেপি নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয়। উল্টে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলকে তুলোধনা করেছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় এই পর্যবেক্ষক। একটি সংবাদমাধ্যমকে বিজয়বর্গীয় এদিন বলেন, ‘‘প্রতিদিন সংবিধানকে অবমাননা করছে তৃণমূল। সেই কারণেই রাজ্যপালকে ওঁদের পছন্দ হচ্ছে না। রাজ্যপালের কথা ভালো লাগছে না।’’
লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'!
'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।
কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.